কম্বোডিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশি পণ্য নেওয়ার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

৩৬

বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে উন্নতমানের পণ্য তুলনামূলক কম দামে রফতানি করছে। কম্বোডিয়ার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, তৈরি পোশাক, প্লাস্টিক পণ্য, চামড়া ও পাটজাত পণ্য এবং তামাকসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করলে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কম্বোডিয়ায় সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

.

” onclick=”return false;” href=”http://cdn.banglatribune.com/contents/cache/images/800x0x1/uploads/media/2018/04/26/2156fa65a61c31d10f3d662d93ed7c8f-5ae1e34797e9e.jpg” title=”” id=”media_0″ class=”jw_media_holder media_image jwMediaContent aligncenter”>বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রীবাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল বুধবার (২৫ এপ্রিল) কম্বোডিয়ার ফোম প্যান হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড, ফাইনান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফ গ্লোবাল ভেলু চেইন’ শীর্ষক তিনদিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। কম্বোডিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী প্যান সোরাসাককে সঙ্গে নিয়ে তিনি যৌথভাবে এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি ও ফাইন্যানশিয়াল সিসটেমে এশিয়ার দেশগুলোর শক্তিশালী অবস্থান থাকা প্রয়োজন। সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক অসমতা দূর করতে দৃশ্যমান কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতি শক্তিশালী করতে নীতিগত ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থাকা একান্ত দরকার। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবদান রাখার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ। এ সময় রফতানির পরিমান দাঁড়াবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানি করে আয় হবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বড় বড় প্রকল্প বাংলাদেশ সরকার নিজ অর্থে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হবার প্রথম ধাপ সফল ভাবে অতিক্রম করেছে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেতে যে তিনটি বিষয়ে সফলতা অর্জন করতে হয়, সে তিনটিতেই এক সঙ্গে বাংলাদেশ সফল হয়েছে।’

কম্বোডিয়ার ন্যাশনাল ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আয়োক মালি কর্মশালায় বৈদেশিক বাণিজ্য এবং এসএমই বিষয়ে কী-নোট উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, মায়ানমার, থাইল্যান্ডের ১৪০ জন ব্যাংকার্স ও ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে বাংলাদেশের ৫২ জন ব্যাংকার্স রয়েছেন।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর উভয় দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী উপস্থিত ব্যবসায়ীদের নিয়ে একঘণ্টাব্যাপী বাণিজ্য বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার বিষয় তুলে ধরেন।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কম্বোডিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী প্যান সোরাসাক, স্ক্যাপের মাইক্রোপলিসি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন এর আলবাতো ইসগুট, সিইও কা কি ম্যান, এবং ভিনসেন্ট ও’ব্রেইন এবং কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিসেস সাঈদা মুনা তাসনিম।

মন্তব্য
Loading...